হোমিওপ্যাথি কি এবং কেন?

১৭৯০ সালে ওষুধ বিজ্ঞানের জগতে সূচিত হয় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। বিজ্ঞানী হানেমান ১৭৯৬ সালে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেন ‘হোমিওপ্যাথি’ নামক একটি চিকিৎসা পদ্ধতি। এরপর থেকেই এগিয়ে চলে নতুন ওষুধের অগ্রযাত্রা।

হানেমানই প্রথম বলেন, ভেষজ বস্তুকে ওষুধ হতে হবে তার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার গুণে। সাধারণ ভেষজ গুণগুলি থাকলেই কোনো বস্তু ওষুধ হিসেবে স্বীকৃত হবে না, যতক্ষণ না তার অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার বিকাশ ঘটানো হয়।

এক কথায় বললে হোমিওপ্যাথি জার্মান চিকিৎসক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান উদ্ভাবিত (১৭৯৬) এক চিকিৎসা পদ্ধতি। নতুন আবিষ্কৃত রোগগুলোর কথা বাদ দিলে, পুরনো অনেক রোগই প্রায় পুরোপুরি নির্মূল সম্ভব হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে।

বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ ভাগ লোক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নেয়। এই গবেষণার গবেষক ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, ‘গত ১৫ বছরে এ দেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নেওয়া লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে অন্তত চারগুণ।’

আপনার মন্তব্য লিখুন